সাহায্য
ফাইল আপলোড ধীর কেন?
ফাইল আপলোড ধীর হওয়ার কারণ যাচাই করুন: প্ল্যানের আপলোড গতি, একক, Wi-Fi, অন্য ট্রান্সফার এবং অ্যাপের গতিসীমা।
ফাইল ধীরে আপলোড হওয়া মানেই সংযোগে ত্রুটি নয়। আপনার প্ল্যানের আপলোড ও ডাউনলোড গতি আলাদা হতে পারে। বাড়ির ডিভাইস ও অ্যাপগুলো উপলব্ধ ক্ষমতা ভাগ করে ব্যবহার করে। আগে দেখুন অ্যাপ ডেটা পাঠাচ্ছে, নাকি সার্ভারে ফাইল প্রসেসিং শেষ হওয়ার অপেক্ষায় আছে।
আপলোড গতি দিয়ে সময় হিসাব করুন
ডাউনলোড গতির বদলে নিজের প্ল্যানে উল্লেখ করা আপলোড গতির সঙ্গে তুলনা করুন। দশমিক এককে 1 GB ফাইলে 8,000 মেগাবিট থাকে। 20 Mbps-এ একটানা পাঠালে আদর্শ সময় 400 সেকেন্ড, অর্থাৎ 6 মিনিট 40 সেকেন্ড। 5 Mbps-এ সময় হবে 26 মিনিট 40 সেকেন্ড। এই হিসাবে অন্য ট্রাফিক বা বিলম্ব ধরা হয়নি; এটি বাস্তব সময়ের নিশ্চয়তা নয়।
Mbps হলো প্রতি সেকেন্ডে মেগাবিট, আর MB/s হলো প্রতি সেকেন্ডে মেগাবাইট। MB/s-কে আট দিয়ে গুণ করুন: 2.5 MB/s সমান 20 Mbps। সারিতে অপেক্ষা বা আপলোডের পর সার্ভারের প্রসেসিং সময় লাইনের ডেটা পাঠানোর গতি বোঝায় না।
একবারে একটি বিষয় বদলে পরীক্ষা করুন
- বাড়ির ডিভাইসগুলোতে ক্লাউড ব্যাকআপ, ছবি সিঙ্ক এবং অন্য বড় আপলোড সাময়িকভাবে থামান।
- একই ডিভাইসে রাউটারের কাছের Wi-Fi ও সম্ভব হলে Ethernet তুলনা করুন। একই ফাইল ও সেবা ব্যবহার করুন।
- অ্যাপের গতিসীমা দেখুন। Dropbox-এ আপলোড গতি সীমিত করার সেটিং আছে।
- সংবেদনশীল তথ্য নেই এমন ফাইল অন্য সেবায় পরীক্ষা করুন, তারপর অন্য ডিভাইস দিয়ে তুলনা করুন। প্রতিবার শুধু একটি শর্ত বদলান।
- অন্য ট্রান্সফার বা কল না চললে আপলোড গতি মাপুন। সময়, ডিভাইস ও সংযোগের ধরন লিখে রাখুন। NDT-এর পরীক্ষার সার্ভার এবং ক্লাউড সেবার নেটওয়ার্ক পথ আলাদা।
ফলাফল কী বোঝায়
- Ethernet নিয়মিত দ্রুত হলে Wi-Fi এবং ডিভাইসের অবস্থান পরীক্ষা করুন।
- শুধু একটি অ্যাপ ধীর হলে সেটিং ও সেবার অবস্থা দেখুন। ভালো স্পিড টেস্ট সব সার্ভারে দ্রুত আপলোডের নিশ্চয়তা দেয় না।
- বিভিন্ন ডিভাইস ও সেবা Ethernet-এও ধীর হলে এই তথ্য সংযোগ পরীক্ষা করতে প্রদানকারীকে সাহায্য করবে। তবে শুধু এ থেকে নির্দিষ্ট ত্রুটি প্রমাণ হয় না।
কখন সহায়তা চাইবেন
সহায়তা দলকে প্ল্যানের আপলোড গতি, সময়সহ মাপ, সংযোগের ধরন এবং পরীক্ষিত সেবাগুলোর নাম জানান। আপলোড ব্যর্থ হলে বা সংযোগ ব্যবহার করা না গেলে সঙ্গে সঙ্গে যোগাযোগ করুন। সমস্যা জানাতে কয়েক দিন অপেক্ষা করতে হবে না।
প্ল্যান বদলানোর আগে নতুন আপলোড গতি আলাদাভাবে যাচাই করুন। বেশি ডাউনলোড গতি মানেই বেশি আপলোড গতি নয়, আর এতে অ্যাপের সীমাও দূর হয় না।