নির্দেশিকা

Wi-Fi 6, 6E ও 7: আপগ্রেড করা উচিত কি?

বদলানোর আগে Wi-Fi 6, 6E ও 7 তুলনা করুন: ডিভাইস সমর্থন, কভারেজ, তারের গতি এবং নেটওয়ার্কের আসল সীমা যাচাই করুন।

নতুন রাউটার বেতার সংযোগ উন্নত করতে পারে, কিন্তু প্রজন্মের নম্বর বলবে না আপনার সমস্যা মিটবে কি না। আগে লক্ষণ দেখুন: সব জায়গায় কম গতি, এক ঘরে দুর্বল সিগন্যাল নাকি একাধিক ডিভাইস চললে বিলম্ব। এসব ক্ষেত্রে আলাদা পরীক্ষা দরকার।

প্রতি প্রজন্ম কী বদলায়

আগে আসল সীমা খুঁজুন

একই ধরনের পরিবেশে Ethernet-ও ধীর হলে শুধু Wi-Fi বদলে ইন্টারনেট দ্রুত নাও হতে পারে। রাউটারের পাশে ভালো কিন্তু টেবিলে খারাপ হলে অবস্থান, দেয়াল ও কভারেজ দেখুন। একাধিক সক্রিয় ডিভাইসে নতুন ব্যবস্থা সাহায্য করতে পারে, তবে কোন ডিভাইস তার সুবিধা ব্যবহার করবে তা দেখুন। অনেক সংযুক্ত ডিভাইস মানেই একসঙ্গে অনেক ট্রাফিক নয়।

বিজ্ঞাপনের যোগফলের বদলে ব্যবহার তুলনা করুন

বিভিন্ন ব্যান্ডের বিজ্ঞাপিত গতির যোগফল একটি ডিভাইস পায় না। দেখানো Wi-Fi সংযোগের গতিও কার্যকর ফাইল ট্রান্সফারের গতি নয়। ইন্টারনেট পরীক্ষায় প্রদানকারীর সংযোগ ও দূরের সার্ভার থাকে, তাই তা দ্রুত স্থানীয় বেতার লিঙ্কের পুরো ক্ষমতা মাপে না।

কেনার আগে কী যাচাই করবেন

রাউটার ও ডিভাইসের নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য দেখুন। 6 GHz-এর জন্য দুই প্রান্তে সামঞ্জস্যপূর্ণ হার্ডওয়্যার দরকার; অপারেটিং সিস্টেম ও অঞ্চলে উপলব্ধতাও গুরুত্বপূর্ণ। মেশ ব্যবস্থায় নোডের মধ্যে সংযোগ দেখুন। দ্রুত স্থানীয় ট্রান্সফারে Ethernet পোর্ট ও অন্য ডিভাইসও যাচাই করুন: এক ধীর অংশ পুরো পথ সীমিত করতে পারে।

মাপা Wi-Fi সীমা ব্যবহারে বাধা দিলে এবং নতুন ডিভাইস তা সমাধান করলে বদলানো কাজে আসে। কভারেজ সমস্যা হলে আগে অ্যাক্সেস পয়েন্টের অবস্থান পরিকল্পনা করুন। বর্তমান সক্ষমতা যথেষ্ট হলে নতুনতম প্রজন্ম জরুরি নয়।

তথ্যসূত্র