নির্দেশিকা

IPv6 কী এবং আপনার কি এটি দরকার?

IPv6 কীভাবে কাজ করে এবং IP ঠিকানা পরীক্ষা করে কী জানা যায়।

IPv6-এ ১২৮-বিট ঠিকানা ব্যবহৃত হয়, আর IPv4-এ ৩২-বিট। দুটি প্রোটোকল ডুয়াল-স্ট্যাক ব্যবস্থায় একসঙ্গে কাজ করতে পারে। প্রাপ্যতা নির্ভর করে সরবরাহকারী, রাউটার, ডিভাইস এবং গন্তব্য পরিষেবার ওপর।

IPv6 কি সংযোগের গতি বাড়ায়?

১২৮ বিটে বেশি ঠিকানা পাওয়া যায়, লাইনের ক্ষমতা বাড়ে না। একই পরিষেবায় IPv4 ও IPv6 ভিন্ন নেটওয়ার্ক পথে পৌঁছাতে পারে; ফলাফল গন্তব্য ও পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে। কিছু অ্যাপ Happy Eyeballs ব্যবহার করে সামান্য সময়ের ব্যবধানে দুই প্রোটোকলে সংযোগের চেষ্টা শুরু করে। এতে প্রথম সংযোগের অপেক্ষা কমতে পারে, কিন্তু ডাউনলোডের গতি বাড়ার নিশ্চয়তা নেই। IPv4-এ ফিরে সংযোগ হলে IPv6-এর সমস্যা আড়াল হতে পারে। IPv6, HTTPS বা ফায়ারওয়ালের নিয়মের বিকল্প নয়।

IP ঠিকানা পরীক্ষা কী দেখায়?

বারবার হওয়া ত্রুটি কীভাবে যাচাই করবেন

একটি ত্রুটির জন্য পুরো নেটওয়ার্কে IPv6 বন্ধ করবেন না। Microsoft-ও Windows-এ সাধারণভাবে IPv6 বন্ধ করা বা নেটওয়ার্ক অ্যাডাপ্টারের সঙ্গে এর সংযোগ সরিয়ে দেওয়ার পরামর্শ দেয় না। ফায়ারওয়াল, প্রয়োজনীয় VPN ও প্রশাসকের নিয়ম বজায় রাখুন। পৌঁছানো যায় এমন ঠিকানা থাকলেই বাইরের সংযোগ খুলে দিতে হবে না।

তথ্যসূত্র